ব্রিসবেনে বিয়ার খেয়ে মাতাল ক্যাঙ্গারু

ব্রিসবেনে বিয়ার খেয়ে মাতাল ক্যাঙ্গারু

592
0
বিয়ার খেয়ে মাতাল ক্যাঙ্গারুটি ঘুমে ঢলে পড়ে (ছবিঃ সংগৃহিত )

অনলাইন ডেস্কঃ অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে পরিবার নিয়ে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন অ্যাডাম ব্রিজ। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের ফাঁকে বিয়ার পান করছিলেন ৪২ বছরের অ্যাডাম। অর্ধেক ক্যান পান করার পর ভালো না লাগায় দূরে তা ছুঁড়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে তিনি বিয়ারের কথা ভুলেও গিয়েছিলেন। কিন্তু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ক্যাঙ্গারু’র মনে কাজ করছিল অন্য ফন্দি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোকে অ্যাডাম জানান, বিয়ারটা দূরে ছুঁড়ে ফেলার পর সেটি সংগ্রহ করে ক্যাঙ্গারুটি। এরপর সেটি থেকে বিয়ারের অবশিষ্টাংশ পান করা শুরু করে।
দৃশ্যটি দেখেই মাথায় বুদ্ধি খেলে যায় অ্যাডামের। খুব ধীরে এবং সাবধানে ক্যাঙ্গারুটির কাছে যান তিনি। উদ্দেশ্য সেটির ছবি তোলা।

বিয়ারের তরল পানীয় পেটে যাওয়ায় ক্যাঙ্গারু’র চোখও তখন ঢুলু ঢুলু। অ্যাডামকে কাছে দেখেও তাই পাত্তা দিল না। এই সেই সুযোগে ক্যাঙ্গারুটির একের পর এক ছবি নিতে থাকেন তিনি। যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে ভাইরাল হতেও দেরি হয়নি।
বিয়ার পান আর ক্যানটি নিয়ে খেলা করতে করতে এক সময় সেখানেই ঘুমে ঢলে পড়ে ক্যাঙ্গারুটি। আর অ্যাডাম সেই ঘটনার ছবি তুলে নেন। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবির ধারাবাহিকতা দেখলেই বোঝা যায়।

তবে ভাইরাল সেসব ছবিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেকে। কেউ বলেছেন, বোবা প্রাণীর সঙ্গে এমন ব্যবহার করা অ্যাডামের মোটেই উচিত হয়নি। কেউ আবার বলেছেন, বানরকে সিগারেট পান করতে দেয়ার মতো অপরাধ করেছেন অ্যাডাম।
অনেকেই অবশ্য ছবিগুলোকে নিছক হাস্যরসের উপাদান হিসেবেই ধরে নিয়েছেন। তবে তারা ক্যাঙ্গারু’র স্বাস্থ্যের অবস্থা জানতে চেয়েছিলেন। অ্যাডাম তাদের আশ্বস্ত করায় অবশ্য বিনোদন নিতে আর কারও কষ্ট হয়নি। (সূত্রঃ পরিবর্তন)

Facebook Comments

You may also like

অস্ট্রেলিয়ার সংসদে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী 

কাউসার খান:অস্ট্রেলিয়ার  জাতীয় সংসদে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় সংসদে জাতীয় শিশু সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে দেয়া  ভাষণে তিনি শিশু যৌন নির্যাতনে ভুক্তভোগীদের কাছে এক্ষমাপ্রার্থনা করেন। এ সময় শিশু যৌন নির্যাতনের শত শত ভুক্তভোগী সংসদে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের সময় সংসদে পিনপতন মৌনতা বিরাজ করে। পরে ভুক্তভোগীদের সংগে দেখা করতে আজ সংসদের  সকল অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে এই ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রয়েল কমিশন দ্বারা অনুমোদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। তিনিও দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের শুরুতেই মরিসন বলেন, ‘আজ অস্ট্রেলিয়া একটি আঘাতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, একটি ঘৃণা যা দীর্ঘদিন দৃষ্টি সীমানার বাইরে লুকিয়ে ছিল।’ ব্যথিত কণ্ঠস্বরে মরিসন বলতে শুরু করেন, ‘আজ আমরা মুখোমুখি হবো, নীরব কণ্ঠস্বরের, অন্ধকারের চাপা কান্নার।অস্বীকৃত অশ্রুর। অদৃশ্য দুঃখের অত্যাচারের।’   ভাষণের এক পর্যায়ে মরিসন লজ্জায় মাথা নত করে বলেন, ‘ যে শিশুদের আমরা নিরাপদে  রাখতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। যে বাবা মায়ের বিশ্বাস আমরা ভেঙে দিয়েছি, যারা সেই টুকরো টুকরো বিশ্বাসগুলোএকসাথে করতে সংগ্রাম করছেন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ শিশু যৌন নির্যাতনে বেঁচে যাওয়াদের উদ্দেশ্য করে মরিসন বলেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্বাস করি ভালোবাসি, এই দেশ তোমাদের বিশ্বাস করে ভালোবাসে।’