জাপানী প্রধানমন্ত্রীকে জুতায় আপ্যায়ন করল ইসরায়েল

জাপানী প্রধানমন্ত্রীকে জুতায় আপ্যায়ন করল ইসরায়েল

166
0

অদ্ভূত মেহমানদারি। জুতায় খাবার পরিবেশন। ইসরায়েল সফররত জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে গত সপ্তাহে ভোজের আয়োজন করে দেশটি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বাসভবনে ওই আয়োজন করা হয়। ইসরায়েলের সেলিব্রিটি শেফ সেগেভ মোশে খাবার পরিবেশন করেন। খাবারের শেষ পর্বে চকচকে চামড়ার জুতায় চকোলেট পরিবেশন করেন তিনি।

এদিকে, ভোজের আয়োজন জুতায় চকোলেট পরিবেশনের ঘটনায় জাপানের এক কূটনীতিকের মন্তব্য, শেফ যদি এটা মজার জন্যও করে থাকেন। তব্ওু আমরা মনে করি না এটা মজার বিষয়। এ ঘটনায় ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ আমরা’।

জানা যায়, ঘটনায় ইসরায়েলের কর্মকর্তারাও হতভম্ব হয়ে যান। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা একে একটি অসংবেদনশীল সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করে বলেন, জাপানি সংস্কৃতিতে জুতাকে খুবই নীচু স্থানে রাখা হয়। কেবল ঘরেই নয় আপনি তাদের অফিসেও জুতা খুঁজে পাবেন না। এটি অত্যন্ত অসম্মানজনক

ঘটনার পর গত রবিবার ইনস্টাগ্রামে শেফ সেগেভ গর্বিতভাবে জুতোয় ভরা মিষ্টির একটি ছবি পোস্টও করেছেন।  সূত্রঃ আমাদের সময়

Facebook Comments

You may also like

অস্ট্রেলিয়ার সংসদে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী 

কাউসার খান:অস্ট্রেলিয়ার  জাতীয় সংসদে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় সংসদে জাতীয় শিশু সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে দেয়া  ভাষণে তিনি শিশু যৌন নির্যাতনে ভুক্তভোগীদের কাছে এক্ষমাপ্রার্থনা করেন। এ সময় শিশু যৌন নির্যাতনের শত শত ভুক্তভোগী সংসদে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের সময় সংসদে পিনপতন মৌনতা বিরাজ করে। পরে ভুক্তভোগীদের সংগে দেখা করতে আজ সংসদের  সকল অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে এই ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রয়েল কমিশন দ্বারা অনুমোদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। তিনিও দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের শুরুতেই মরিসন বলেন, ‘আজ অস্ট্রেলিয়া একটি আঘাতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, একটি ঘৃণা যা দীর্ঘদিন দৃষ্টি সীমানার বাইরে লুকিয়ে ছিল।’ ব্যথিত কণ্ঠস্বরে মরিসন বলতে শুরু করেন, ‘আজ আমরা মুখোমুখি হবো, নীরব কণ্ঠস্বরের, অন্ধকারের চাপা কান্নার।অস্বীকৃত অশ্রুর। অদৃশ্য দুঃখের অত্যাচারের।’   ভাষণের এক পর্যায়ে মরিসন লজ্জায় মাথা নত করে বলেন, ‘ যে শিশুদের আমরা নিরাপদে  রাখতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। যে বাবা মায়ের বিশ্বাস আমরা ভেঙে দিয়েছি, যারা সেই টুকরো টুকরো বিশ্বাসগুলোএকসাথে করতে সংগ্রাম করছেন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ শিশু যৌন নির্যাতনে বেঁচে যাওয়াদের উদ্দেশ্য করে মরিসন বলেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্বাস করি ভালোবাসি, এই দেশ তোমাদের বিশ্বাস করে ভালোবাসে।’