আন্তর্জাতিক ছবি উৎসবে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী হিয়া

আন্তর্জাতিক ছবি উৎসবে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী হিয়া

268
0

‘ইন্টারন্যাশনাল হাই স্কুল স্টুডেন্টস ফটো ফেস্টিভ্যাল এক্সচেঞ্জে’ অংশ নিতে আগামী অাগস্টে জাপান যাচ্ছেন ক্যানবেরা হাই স্কুলের তিনজন শিক্ষার্থী। তাদেরই একজন প্রবাসী বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রাইসা ফারিয়া হিয়া।

আগামী ২ অাগস্ট জাপানের হিগাসিকাওয়া শহরে শুরু হবে আন্তর্জাতিক এই ছবি উৎসব। ‘টাউন অফ ফটোগ্রাফি’ নামেই এই শহরের পরিচিতি। বিশ্বের নানা দেশ থেকে মোট ১৯টি দল এবং হিগাসিকাওয়া শহরের তিনটি স্কুল অংশ নিচ্ছে এই উৎসবে। মোট পাঁচটি পদক ক্যাটাগরিতে লড়বেন অংশগ্রহণকারীরা।

রাইসা ফারিয়া হিয়া বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। কয়েকদিন লাগছে এটা বিশ্বাস করতে যে আমরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছি’।

মা আলফা আরজু একজন পেশাদার সাংবাদিক হলেও, হিয়ার কখনো সাংবাদিক হওয়ার শখ ছিল না। অনেকটা শখের বশেই ছবি তোলা হত। প্রতিযোগিতায় স্থান পাওয়ার পর ফটোগ্রাফিতে নতুন আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানালেন হিয়া। হিয়া বলেন, ‘আমি প্ল্যান করছি ফটোগ্রাফিতে স্টাডি করতে’।

চতুর্থবারের মত আয়োজিত এই উৎসবে অংশ নিতে আগামী ১ অগাস্ট জাপানের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন হিয়া এবং তার দল। (সূত্র:বাংলাদেশ জার্নাল )

Facebook Comments

You may also like

অস্ট্রেলিয়ার সংসদে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী 

কাউসার খান:অস্ট্রেলিয়ার  জাতীয় সংসদে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় সংসদে জাতীয় শিশু সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে দেয়া  ভাষণে তিনি শিশু যৌন নির্যাতনে ভুক্তভোগীদের কাছে এক্ষমাপ্রার্থনা করেন। এ সময় শিশু যৌন নির্যাতনের শত শত ভুক্তভোগী সংসদে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের সময় সংসদে পিনপতন মৌনতা বিরাজ করে। পরে ভুক্তভোগীদের সংগে দেখা করতে আজ সংসদের  সকল অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে এই ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রয়েল কমিশন দ্বারা অনুমোদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। তিনিও দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের শুরুতেই মরিসন বলেন, ‘আজ অস্ট্রেলিয়া একটি আঘাতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, একটি ঘৃণা যা দীর্ঘদিন দৃষ্টি সীমানার বাইরে লুকিয়ে ছিল।’ ব্যথিত কণ্ঠস্বরে মরিসন বলতে শুরু করেন, ‘আজ আমরা মুখোমুখি হবো, নীরব কণ্ঠস্বরের, অন্ধকারের চাপা কান্নার।অস্বীকৃত অশ্রুর। অদৃশ্য দুঃখের অত্যাচারের।’   ভাষণের এক পর্যায়ে মরিসন লজ্জায় মাথা নত করে বলেন, ‘ যে শিশুদের আমরা নিরাপদে  রাখতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। যে বাবা মায়ের বিশ্বাস আমরা ভেঙে দিয়েছি, যারা সেই টুকরো টুকরো বিশ্বাসগুলোএকসাথে করতে সংগ্রাম করছেন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ শিশু যৌন নির্যাতনে বেঁচে যাওয়াদের উদ্দেশ্য করে মরিসন বলেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্বাস করি ভালোবাসি, এই দেশ তোমাদের বিশ্বাস করে ভালোবাসে।’