চীনকে ঠেকাতে ৯টি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ কিনবে অস্ট্রেলিয়া

চীনকে ঠেকাতে ৯টি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ কিনবে অস্ট্রেলিয়া

207
0

অস্ট্রেলিয়া ২৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের নয়টি অত্যাধুনিক যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণের কাজ দিয়েছে বৃহৎ ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান বিএই সিস্টেমসকে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, সমুদ্রে চীনের সঙ্গে পাল্লা দিতেই অস্ট্রেলিয়া তাদের নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করছে।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইতালির ফিন্সান্টিয়েরি এবং স্পেনের নাভান্টিয়া এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে টপকে ২৬ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের চুক্তিটি বাগিয়ে নিয়েছে বিএই।

যুদ্ধ জাহাজগুলোর নকশা প্রস্তুত করবে বিএই এবং এগুলো তৈরি করবে অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান এএসসি শিপবিল্ডিং। এর জন্য অস্ট্রেলিয়ায় চার হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘হান্টার ক্লাস’ নামের এই নৌবহর অস্ট্রেলিয়ার স্টিল দিয়ে অস্ত্রেলিয়াতেই তৈরি করবে অস্ট্রেলিয়ানরা।

বিএই জানিয়েছে, তারা যুদ্ধজাহাজগুলোর নকশা নিয়ে শিগগিরই অস্ট্রেলিয়ার সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। ২০২০ সাল থেকে এগুলো তৈরি শুরু হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়া এমন সময়ে যুদ্ধজাহাজের জন্য এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করল, যখন চীন এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে সামরিক ব্যয় ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন ও অনেকগুলো প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় এভাবে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

এই সপ্তাহেই অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, তারা অন্য দেশে গোয়েন্দাগিরিতে ব্যবহৃত স্পাই ড্রোন কিনতে ৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই ড্রোনগুলো কেনা হবে।সূত্রঃ পরিবর্তন

Facebook Comments

You may also like

অস্ট্রেলিয়ার সংসদে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী 

কাউসার খান:অস্ট্রেলিয়ার  জাতীয় সংসদে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় সংসদে জাতীয় শিশু সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে দেয়া  ভাষণে তিনি শিশু যৌন নির্যাতনে ভুক্তভোগীদের কাছে এক্ষমাপ্রার্থনা করেন। এ সময় শিশু যৌন নির্যাতনের শত শত ভুক্তভোগী সংসদে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের সময় সংসদে পিনপতন মৌনতা বিরাজ করে। পরে ভুক্তভোগীদের সংগে দেখা করতে আজ সংসদের  সকল অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে এই ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রয়েল কমিশন দ্বারা অনুমোদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। তিনিও দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের শুরুতেই মরিসন বলেন, ‘আজ অস্ট্রেলিয়া একটি আঘাতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, একটি ঘৃণা যা দীর্ঘদিন দৃষ্টি সীমানার বাইরে লুকিয়ে ছিল।’ ব্যথিত কণ্ঠস্বরে মরিসন বলতে শুরু করেন, ‘আজ আমরা মুখোমুখি হবো, নীরব কণ্ঠস্বরের, অন্ধকারের চাপা কান্নার।অস্বীকৃত অশ্রুর। অদৃশ্য দুঃখের অত্যাচারের।’   ভাষণের এক পর্যায়ে মরিসন লজ্জায় মাথা নত করে বলেন, ‘ যে শিশুদের আমরা নিরাপদে  রাখতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। যে বাবা মায়ের বিশ্বাস আমরা ভেঙে দিয়েছি, যারা সেই টুকরো টুকরো বিশ্বাসগুলোএকসাথে করতে সংগ্রাম করছেন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ শিশু যৌন নির্যাতনে বেঁচে যাওয়াদের উদ্দেশ্য করে মরিসন বলেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্বাস করি ভালোবাসি, এই দেশ তোমাদের বিশ্বাস করে ভালোবাসে।’