কৃষকদের জন্য প্রার্থনা অস্ট্রেলীয় মুসলিমদের

কৃষকদের জন্য প্রার্থনা অস্ট্রেলীয় মুসলিমদের

195
0

খরাকবলিত অস্ট্রেলিয়ায় ঈদের দিনে মুসলিমরা প্রার্থনা করেছেন সে দেশের কৃষকদের স্বার্থে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, রাজধানী সিডনির বিভিন্ন মসজিদ থেকে মুসল্লিরা বের হয়ে এসে সমাবেশ করেছে কৃষকসহ খরার কবলে পড়া দেশবাসীর জন্য। দুর্গত কৃষকদের জন্য তহবিলও সংগ্রহ করেছেন তারা।

স্মরণকালের ভয়াবহ খরার কবলে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। বিবিসির খবর থেকে জানা গেছে, খরায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও অন্যান্যদের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করতে এবং দুর্গতদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে ১৬টি মসজিদ থেকে প্রায় ৩০ হাজার মুসলিম একত্রিত হয়ে সমাবেশ করেছে।

লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন- এলএমএ’র আয়োজনে পশ্চিম সিডনির লাকেম্বা মসজিদে ওই কর্মসূচি পালিত হয়। সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট সামিয়ার দানদান বিবিসিকে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার একটি সম্প্রদায় হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো, যাদের জন্য সত্যিই তা দরকার। ঐক্য জোরালো করা আর দুর্গতদের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়ানোর এটাই মোক্ষম সময়।’

অস্ট্রেলিয়ার খরায় সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষকরা। পানির দুষ্প্রাপ্যতা তাদের ফসল উৎপাদন ভয়াবহভাবে ব্যহত করছে। দেশটি ‘খরার দেশ’-এ রূপান্তরিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল। এরইমধ্যে মুসলিমদের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার দিনে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করলেন মুসলিমরা।(সূত্র:বাংলাট্রিবিউন )

Facebook Comments

You may also like

অস্ট্রেলিয়ার সংসদে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী 

কাউসার খান:অস্ট্রেলিয়ার  জাতীয় সংসদে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় সংসদে জাতীয় শিশু সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে দেয়া  ভাষণে তিনি শিশু যৌন নির্যাতনে ভুক্তভোগীদের কাছে এক্ষমাপ্রার্থনা করেন। এ সময় শিশু যৌন নির্যাতনের শত শত ভুক্তভোগী সংসদে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের সময় সংসদে পিনপতন মৌনতা বিরাজ করে। পরে ভুক্তভোগীদের সংগে দেখা করতে আজ সংসদের  সকল অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে এই ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রয়েল কমিশন দ্বারা অনুমোদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। তিনিও দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের শুরুতেই মরিসন বলেন, ‘আজ অস্ট্রেলিয়া একটি আঘাতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, একটি ঘৃণা যা দীর্ঘদিন দৃষ্টি সীমানার বাইরে লুকিয়ে ছিল।’ ব্যথিত কণ্ঠস্বরে মরিসন বলতে শুরু করেন, ‘আজ আমরা মুখোমুখি হবো, নীরব কণ্ঠস্বরের, অন্ধকারের চাপা কান্নার।অস্বীকৃত অশ্রুর। অদৃশ্য দুঃখের অত্যাচারের।’   ভাষণের এক পর্যায়ে মরিসন লজ্জায় মাথা নত করে বলেন, ‘ যে শিশুদের আমরা নিরাপদে  রাখতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। যে বাবা মায়ের বিশ্বাস আমরা ভেঙে দিয়েছি, যারা সেই টুকরো টুকরো বিশ্বাসগুলোএকসাথে করতে সংগ্রাম করছেন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ শিশু যৌন নির্যাতনে বেঁচে যাওয়াদের উদ্দেশ্য করে মরিসন বলেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্বাস করি ভালোবাসি, এই দেশ তোমাদের বিশ্বাস করে ভালোবাসে।’