বাড়িতে অতিথি এসেছেন দেখে আনন্দে উলুধ্বনি দিতে শুরু করেন আহমেদের মা

বাড়িতে অতিথি এসেছেন দেখে আনন্দে উলুধ্বনি দিতে শুরু করেন আহমেদের মা

0

ফজলুল বারী: আমি আলেকজান্দ্রিয়া যাব। এটি মিশরের দ্বিতীয় প্রধান শহর। বাসে ট্রেনে যাওয়া যায় আলেকজান্দ্রিয়ায়। আমি যাব শেয়ারের টেক্সিতে। কায়রোয় যে বাংলাদেশি তরুন মামুন-বেলালদের সঙ্গে থাকি তাদের একজন নামিয়ে দিয়ে গেলো টেক্সি স্ট্যান্ডে।

ভূমধ্য সাগরতীরের শহর আলেকজান্দ্রিয়ায় আমাকে রিসিভ করবেন মামুনের বন্ধুরা। তারা সেখানে এক কারখানায় কাজ করেন। মামুনদের কারনে এখন পর্যন্ত মিশরে কখনও একা বোধ করিনি।

আজ আলেকজান্দ্রিয়ায় যাচ্ছি। সেখানেও সঙ্গ দেবেন তাদের বন্ধুরা। টেক্সিচালক আহমেদ মজার এক চরিত্র। আরব চরিত্র যাদের সঙ্গে এখন পর্যন্ত মেশার সুযোগ হয়েছে তাদের কমন একটি বৈশিষ্ট বরাবর আকৃ্ষ্ট করেছে।

তাহলো এরা খুব আমুদে এবং আন্তরিক। আরবরা আড্ডাবাজ এক জাতি। সারাক্ষন সবাইকে আড্ডায় মাতিয়ে রাখে আশেপাশের চারপাশ। সে কারনে পৃথিবী জুড়ে আরব এলাকাগুলো বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকে।

এই টেক্সিচালক আহমেদও শুরু থেকে এটা সেটা গল্পে মাতিয়ে রাখছিলেন যাত্রীদের। তাদের ভাষা আমি বুঝিনা। কিন্তু প্রতিক্রিয়া বুঝি। মুখাভিনয় এমন একটি বিশ্বজনীন প্রতিক্রিয়াশৈলী। যা বুঝতে ভাষা জানা লাগেনা।

আরবরা আবার খুব বিড়িখোর জাতি। ধুমপায়ী। এই টেক্সিচালক আহমেদ, টেক্সির অন্য যাত্রীরাও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে এই আহমেদ গাড়ি চালাতে চালাতে যখন একেকটি বিড়ি ধরাচ্ছেন, বারবার তার একটি আচরন চোখে পড়ে।

তাহলো পুরো প্যাকেটটা তিনি বাড়িয়ে ধরে সবাইকে অফার করছেন! মানে তার সঙ্গে আর কেউ এখন বিড়ি ফুঁকবেন কিনা। যাত্রীরা নাও করছেননা। বা নিজেদের প্যাকেট থেকেও আহমদ বা সহযাত্রীদের অফার করছেন।

এই আহমেদ আবার কায়রো থেকে বেরুবার আগে বিরল এক আতিথেয়তার কারনে তাঁর সঙ্গে পরিচয়টা স্মরনীয় করে রাখেন। আমাদের অনুমতি নিয়ে সে ট্যাক্সি থামিয়ে তাঁর মায়ের সঙ্গে দেখা করে কিছু বাজার দিতে যায়।

আমি ইচ্ছা করে তাঁর মাকে দেখতে যেতে চাইলে তিনি খুবই কৃতজ্ঞবোধ করেন। বাড়িতে অতিথি দেখেই আনন্দে উলুধবনি দিতে শুরু করেন তাঁর মা। আরবরা এমন আনন্দে উলুধবনি দেন। যা বাংলাদেশে হিন্দু সংস্কৃতি হিসাবে পরিচিত।

আমি থাকবোনা শুনে তাড়াহুড়া করে শীতল পানীয় খেতে দিয়েছিলেন। মনে মনে ভাবি এভাবে শেয়ারের টেক্সিতে না এলে বিষয়টি এমন জানা হতোনা।

মরুভূমির মাঝ দিয়ে এগিয়ে ঢাউস চলা চওড়া পিচঢালা পথ। গাড়িগুলোও দ্রুতগামী। মহাসড়কে বাস-টেক্সি-ক্যারাভ্যান-লরি-মোটরবাইকের বাইরে আর কোন যান নেই। এ পথে নেই কোন ধীরগতির যানবাহন।

বাংলাদেশের মতো মহাসড়কের পাশে কোন বসতি বা বাজারও নেই মিশরে। মরুভূমির দেশটির সড়ক নেটওয়ার্কটি যত দেখি তত মুগ্ধ হই। এদের জমি যেমন বেশি সড়কও তেমন চওড়া।

আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং’এ পড়াশুনা করছিলাম। ফেনীর বিশ্বরোড বাইপাশ নির্মানযজ্ঞে আমার প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস হয়েছিল। আগে ফেনী থেকে চট্টগ্রাম যেতে পলিটেনিক ইন্সষ্টিটিউটের পাশ ঘেঁষে যাওয়া পথে ছাগলনাইয়া হয়ে চলে যাওয়া যেত চট্টগ্রাম।

বিশ্বরোড বাইপাশটির নির্মান হবার পর তখন চট্টগ্রাম যাবার প্রধান পথটিই বদলে যায়। পায়ে হেঁটে বাংলাদেশ ভ্রমনের সময় বাংলাদেশের কোন এলাকার পথ কিভাবে নির্মান হয়, কেনো কোন পথ দ্রুত ভেঙ্গে যায় সে নিয়ে নিজস্ব একটি ধারনা হয়েছিল। বাংলাদেশের গ্রাম জনপদের অনেক এলাকার পথ নির্মান দূর্বলতায় জর্জরিত।

দূর্নীতির পাশাপাশি এই সড়কগুলোর বেশিরভাগ ইটের খোয়ায় নির্মিত হয়। এরজন্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জোগাড় করা হয় ইটভাঁটির অবশেষ থেকে সস্তায় কেনা দূর্বল ইটের খোয়া। ভারী গাড়ির চাপ সেই পথ বইতে পারেনা।

মিশরের সব পথই পাথরের খোয়ায় নির্মিত। আবার মরুভূমির শক্ত জমিন পরিষ্কার করে বেড তৈরি করে এর ওপরেই নুড়িপাথর-পিচ গলা গরম মিশ্রন ঢেলে সেটির ওপর রোলার চালিয়েও সেখানে দ্রুত মজবুত পথ নির্মান হয়ে যাচ্ছে।

পিচঢালা পথের বড় শত্রু অতিবৃষ্টি-বন্যা এসব। দূর্বল নির্মানের পাশাপাশি বাংলাদেশের বৃষ্টি-বন্যার আবহাওয়াও আমাদের পথগুলো দ্রুত ভেঙ্গে যায়। কিন্তু মিশরে যেহেতু বৃষ্টি-বন্যা এসব হয়না সে জন্যে দেশটির সড়কগুলোও চটজলদি ভঙ্গুর নয়।

পর্যটন প্রধান দেশটির মহাসড়ক জুড়ে বাহারি সব কোচ, ক্যারাভ্যান সহ নানাকিছুও অবাক হয়ে দেখছিলাম। পথে পথে যাত্রীদের বিরতি-বিশ্রামের এলাকাগুলোও খুবই জামজমকপূর্ণ। বিরতি উপলক্ষে তেমন একটি এলাকায় গাড়ি থামিয়েছেন আহমেদ।

এক রেষ্টুরেন্টে ঢুকে খাবার পছন্দ করছিলাম। আরবদের নানান খাবারে তখনও সেভাবে অভ্যস্ত হতে পারিনি। কায়রোয় মামুনদের সঙ্গে থাকি বলে সব সময় দেশের মতো হাত মাখিয়ে ভাত খাই।

সেই ডেরার বাইরে গেলে খাবার পছন্দ করতে না পেরে প্রায় সময় ক্ষিদা পেলেই আমের জুস খেতাম। বিশাল দেশের নানা অংশে সারা বছরই আম পাওয়া যায় মিশরে। বরফে চুবিয়ে বানানো আমের জুসটাই বেশি উপাদেয় মনে হতো।

সেই রেষ্টুরেন্টের রেফ্রিজেটারে রাখা একটি খাবার দেখে সেটির নাম জানিনা বলে ইশারায় চাইলাম। প্লাস্টিকের স্পুন টিস্যু সহ রেষ্টুরেন্টের বাইরের এক টেবিলে বসে খেতে গিয়ে চমকে উঠি। এটিতো বাংলাদেশের পায়েস।

মরভূমির দেশের খাবারটি পাশে আরবিতে লেখা নাম দেখে সেদিন চিনতে ভুল করলেও স্বাদ নিয়ে চিনতে ভুল করিনি। রাইস পুডিং তথা পায়েস খাবারটি কিন্তু বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয় এক খাবার।

এশিয়ার বিভিন্ন দেশে টিনজাত রাইস পুডিংও কিনতে পাওয়া যায়। দামে সস্তা বলে এটির বিক্রিও বেশি হয়। তবে এই খাবারটির বিপদ যেখানে তাহলো এটি সুস্বাদু এবং খুব মিষ্টি স্বাদের।

লোভ সামাল দিতে না পারলে বেশি খেতে শুরু করলে এর থেকে ক্ষতির ঝুঁকি বেশি। আলেকজান্দ্রিয়া পৌঁছে নামিয়ে দেবার সময় আহমেদ সহ সহযাত্রীদের সঙ্গে আবেগঘন শুকরান-হাবিবি বলে কোলাকুলি ফেয়ারওয়েল হয়ে গেলো।

এই কয়েক ঘন্টায় আমরা ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মতো হয়ে গিয়েছিলাম। আর কোন দিন হয়তো আমাদের দেখা হবেনা। মামুনদের বন্ধু শাহীনকে ফোন করতেই সে নিতে আসে। হেঁটে হেঁটে তাদের বাসায় যেতে যেতে অবাক এক সাগর শহর দেখি।

দেখে মনে হয় এটি যেন এক গোসলের শহর! কেউ সাগর থেকে ভিজে ফিরছেন। আর কেউ ভিজতে যাচ্ছেন! রাস্তার পাশে লাইট পোষ্টের মতোই একেকটি শাওয়ার পোষ্ট! সাগর থেকে যারা কাপড়ে নোনা পানি বালি মাখিয়ে এসেছেন এসব শাওয়া পোষ্টে তারা নিজেদের সাফসুতরা করে নিচ্ছেন!

আলেকজান্দ্রিয়া শহরকে প্রথম দেখায় আরেকটি বোধ হয় তাহলো দেশটার নিজস্ব স্থানীয় পর্যটক বেশি। যারা নিজের দেশ এতো ঘুরে বেড়ান বলে তাদের পর্যটন সেক্টরও এমন জৌলুসময়।

প্রাচীন সময় থেকে আলেকজান্দ্রিয়া নানা ইতিহাসের উজ্জ্বল সূর্যের নীচের এক শহর। এক সময় এর পরতে পরতে ছিল নানান নাটকীয়তা, ট্র্যাজেডি, প্রেম-রোমান্স, কূটনীতি-রাজনীতি-হত্যা-ষড়যন্ত্র-যুদ্ধ বিগ্রহ এমন নানাকিছুর রঙ্গমঞ্চ ছিল এ শহর।

প্রায় দুই হাজার বছর আগে রোম সাম্রাজ্য কাঁপানো সিজার-এ্যান্টনি-ক্লিওপ্যাট্রোর রাজকীয় ত্রিভুজ প্রেমের ট্র্যাজিক গল্পের ভিত্তিশহরও এই আলেকজান্দ্রিয়া। এখন পৃথিবীতে লরির ভিতর লুকিয়ে এক দেশের লোক আরেক দেশে যায়!

আর তখন প্রেমের টানে নিজেরই প্রাসাদে কার্পেটের রোলের ভিতর লুকিয়ে আরেক দেশের অতিথি রাজার সঙ্গে দেখা করতে গেছেন সে দেশেরই রানী! এই আলেকজান্দ্রিয়া শহর ছিল এমন রঙ্গমঞ্চের কেন্দ্র!

প্রাচীন সময়ের নাবিকদের কাছেও আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘরটিও ছিল বিশ্বখ্যাত। পিরামিডের মতো এই বাতিঘরকেও বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য্যের মতো উজ্জ্বল আকর্ষনীয় ছিল আলেকজান্দ্রিয়ার এই বাতিঘর।

প্রাচীন বিশ্বের আলোচিত লাইব্রেরিটিও ছিল আলেকজান্দ্রিয়ায়। এটি ছিল জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার কেন্দ্র হওয়ায় এর নাম ছিল দ্য গ্রেট লাইব্রেরি অব আলেকজান্দ্রিয়া। এই লাইব্রেরিকে কেন্দ্র করে বিশ্বের নানাপ্রান্তের জ্ঞানসাধকরা আলেকজান্দ্রিয়ায় আসতেন।

জ্যামিতির প্রতিষ্ঠাতা ইউক্লিড, ইঞ্জিনিয়ারিং এর আর্কিমিডিস, ভূগোলের ইরাতোস্থিনিস, একাডেমি অব মেডিসিনের প্রতিষ্ঠাতা ইরাসিস্ট্র্যাটাস, নারী দার্শনিক ঈডিসিয়া, নারী গণিতবিদ হাইপেসিয়া প্রমুখ আলেকজান্দ্রিয়া এসেছিলেন।

কিন্তু আজকের আধুনিক আলেকজান্দ্রিয়ায় প্রাচীন অনেককিছুই টিকে নেই। ভূমিকম্পের ভূমধ্যসাগরে তলীয় গেছেন প্রাচীণ রাজকীয় অনেক কিছু। প্রাচীণ লাইব্রেরিটিও আর নেই। পুড়ে গেছে হারিয়ে গেছে, নেই সেই সপ্তম আশ্চর্যের স্মৃতি বাতিঘরখানি।

রানী ক্লিওপ্যাট্রা আর এন্টনির রোমান্সের লীলাভূমি সেই প্রাসাদপুরীটিও নেই। অথচ তিন হাজারের বেশি পুরাতন নানাকিছু আছে সারা মিশরজুড়ে। বিভিন্ন সময়ে মিশর দখলকারী মুসলিম শাসকরা পিরামিড ধংসের চেষ্টা করে পারেননি।

কিন্তু দেশটি প্রাচীন জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ইতিহাসের নানাকিছুর সঙ্গে শুধু মুসলিম নামটি সংযু্ক্ত না থাকায় তা সংরক্ষন অথবা ধংস থেকে রক্ষার চেষ্টা করেননি! অথচ প্রাচীন মিশরের ইতিহাসের নানাকিছু পড়তে জানতে তারা এখন নানা দেশে যান!

আলেকজান্ডার দ্য গ্রেড মিশর জয়ের পর ৩৩১ খ্রিস্টাব্দে সাগরপাড়ের এই শহরটি নিজের হাতে গড়তে শুরু করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আরব মুসলিম শাসকদের হাতে পতনের আগ পর্যন্ত এটিই ছিল মিশরের রাজধানী।

কিন্তু আলেকজান্ডারতো কোথাও থেমে থাকার রাজা ছিলেন না। এ শহর গড়ার মাস কয়েকের মধ্যে এশিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে যান আলেকজান্ডার। আর কখনও এখানে আসেননি।

তবে বলা হয় তার মৃতদেহ অথবা দেহাবশেষ এখানে এনেই চিরশয্যায় শায়িত করা হয়েছে। আলেকজান্ডার এই শহর ছেড়ে চলে যাবার পর তার এক মেসিডোনিয়ান গ্রীক সেনাপতি টলেমি নিজেকে মিশরের রাজা ঘোষনা করেছিলেন।

মিশরীয়রা তাকে নৃপতি রাজা হিসাবে গ্রহনও করেছিল। মূলত টলেমির হাতেই এখানে মেসিডোনিয়ান গ্রীক রাজবংশের প্রতিষ্ঠা হয়। ২৭৫ বছর এই রাজবংশ মিশর শাসন করে। সপ্তম ক্লিওপ্যাট্রো ছিলেন এই রাজবংশের শেষ নৃপতি।

বানিজ্যের শহর হিসাবে রোমের পরেই তখন গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছিল আলেকজান্দ্রিয়া। প্রথম টলেমি নৃপতি এশিয়া আর মিশরে জয়করা রত্মরাজি নিয়ে নিজের মতো করে গড়ে ছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া শহর।

তখন ভূমধ্য সাগরের পোতাশ্রয়ের কাছের দ্বীপে নির্মান করা হয় বিশাল ঐতিহাসিক বাতিঘর। চল্লিশতলা তথা ৪৪৫ ফুট উঁচু বিখ্যাত বাতিঘরটি সপ্তম আশ্চর্য্যের খ্যাতিও পেয়েছে।
এর চূড়ার বাতিটি রাতের বেলা কিভাবে জ্বলতো তা নিয়ে চালু আছে অনেক রহস্য গল্প। তখনতো আজকের মতো মোবাইল ফোন বা দিক দর্শনযন্ত্রও ছিলোনা। অতএব সেই বাতিঘর হয়েছিল জাহাজের নাবিকদের নিশানা।

ভূমধ্যসাগরে ধাবমান নাবিকদের পঞ্চাশ কিঃমিঃ দূর থেকে তীরের নিশানা দিতো আলেকজান্দ্রিয়ায় বাতিঘর। দেবতা জিউজের এক বিশাল উদ্বাহু মূর্তিও ছিল বাতিঘরের চূড়ায়।

আলেকজান্দ্রিয়ায় আগে কখনও আসেননি এমন কোন সওদাগর ব্যবসায়ী অথবা বিশিষ্ট কোন ব্যক্তির আগমন ঘোষনা হতো বাতিঘর থেকে। সেই ঘোষনায় তাকে সম্মান দিতে প্রস্তুত হতো নগরী।

আলেকজান্দ্রিয়ার ঐশ্বর্য ঝলসে দিতো নবাগত অতিথির চোখ। এমন নগরী তাকে সম্মান দিচ্ছে এটা জেনেবুঝে অতিথি সম্মানীত বোধ করতেন। কিন্তু আমি বাংলাদেশের এক পর্যটক সাংবাদিক বাতিঘর দেখে নয়, আলেকজান্দ্রিয়া এসেছি শেয়ারের টেক্সিতে।

Facebook Comments

You may also like

বাংলাদেশ করোনা মুক্তির সহজ পথ হারিয়েছে

ফজলুল বারী: আমি অস্ট্রেলিয়ায় থাকি বলে বাংলাদেশের সঙ্গে