অস্ট্রেলিয়া সরকার ইলেকশনের খরচ বহন করে প্রার্থীর

অস্ট্রেলিয়া সরকার ইলেকশনের খরচ বহন করে প্রার্থীর

বাংলাদেশে তার কেন্দ্রে মোট পড়া ভোটের ১৬.৬% এর কম পাইলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয় আর অস্ট্রেলিয়ায় সরকার ইলেকশনে দাড়ালে মোট ভোটের ৪% ভোট পেলে ১০,৬৫৬ ডলার অটোমেটিকভাবে তার একাউন্টে পেয়ে যায় প্রার্থী এবং সাথে পায় প্রতি ভোটের জন্য দুই ডলার একানব্বই সেন্টস।
এইখানেই শেষ নয়, ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় খরচের হিসাব দাখিল করলে যদি সঠিক ভাবে শুধুই নির্বাচনের জন্যই খরচ হয়, তাহলে সরকার সেই টাকা ফেরত দেন।
খরচের মধ্যে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ছাড়াও যদি জন সংযোগ করার জন্য গাড়ি ব্যবহার অথবা অন্যান্য অনুসাঙ্গিক খরচ হয়, নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রাথমিক পর্ব সর্বোচ্চ ৬ মাস আগ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত সমস্ত নির্বাচনের খরচ দাবী করতে পারেন। তবে দলীয় হিসাব যদি নির্ধারণ করা থাকে যেমন লেবার পার্টি সিদ্ধান্ত নিলো মোট একজন প্রার্থী ১০০,০০০ ডলার খরচ করতে পারবে আবার একই নির্বাচনে লিবারেল পার্টি মনে করলো তাঁদের খরচ আরও একটু বেশী হবে মানে ১২৫,০০০ ডলার হবে সেইভাবেই নির্ধারণ করা থাকে তবে সেই ক্ষেত্রে সেটাই নির্ধারিত খরচ হিসেবে প্রাথমিকভাবে গণ্য করা হয়। ব্যতিক্রমও থাকতে পারে কোনো কোনো আসনে যদি ঐ আসনে নির্বাচনী খরচ বেশী হতে পারে বিশেষ প্রতিকূলতার কারণে।
নির্বাচন শেষ হবার ২০ দিন পরে প্রার্থী যদি ৪% এর উপরে ভোট পান তার আসনে তারা সেই খরচ দাখিল করলে অস্ট্রেলিয়ান ইলেকশন কমিশন সেই দাখিল করা খরচ পরীক্ষা করে যার যার একাউন্টে পাঠিয়ে দেয় ।
২০১৯ সালের নির্বাচনে অস্ট্রেলিয়ার সরকার মোট প্রায় ৭০ মিলিয়ন ডলার পরিমান অর্থ ফেরত দেয় প্রার্থীদেরকে। লিবারেল পার্টি ফেরত পায় ২৭.৫৬ মিলিয়ন ডলার, লেবার পার্টি ২৪.৬৮ মিলিয়ন ডলার আর পলিন হ্যানশন ২.৮ মিলিয়ন ডলার ফেরত পায়। ছোট ছোট দলগুলোও অর্থ ফেরত পায়।

You may also like

সিডনিতে ন্যাশনাল স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের পুরস্কার বিতরণী

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ন্যাশনাল স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের বাৎসরিক পুরস্কার