বর্ষশেষের দিনে অস্ট্রেলিয়ায় নৌবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬

বর্ষশেষের দিনে অস্ট্রেলিয়ায় নৌবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬

233
0
ছবিঃ এবিসি নিউজ

সারা বিশ্বে নতুন বর্ষবরণের আনন্দের মাঝেই অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এক মর্মান্তিক নৌবিমান দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে ৬ জনের প্রাণ।
রোববার সিডনির হকেসবারি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, নৌবিমানের পাঁচ আরোহী সিডনির উত্তরের নদীতীরবর্তী একটি রেস্তোরাঁ থেকে পার্টি শেষে নগরীর পূর্বের রোজ বে তে ফেরার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে ডুবে যায়।

সেটি বিধ্বস্তের কারণ এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। নিহত পাঁচ আরোহীর পরিচয়ও সনাক্ত হয়নি। নিহত ষষ্ঠ ব্যক্তি বিমানের পাইলট বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

যদিও অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে নিহতদের মধ্যে চার জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক বলা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।

পুলিশের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিদর্শক মাইকেল গোরম্যান বলেন, “আমরা বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলেছি। সমুদ্রের তলদেশে পড়ে থাকা ধ্বংসস্তুপও পরীক্ষা করা হবে।

“ঠিক কি কারণে নৌবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।”

ডুবুরীরা ‍মৃতদেহগুলো উদ্ধার করেছে। সেগুলোর পরিচয় সনাক্তের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

১৯৩৮ সাল থেকে সিডনি সিপ্লেন্স অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে চলাচল শুরু করে।

যদিও পথে অন্তত ৩০ বার জ্বালানি নিতে থামতে হয়। তারপরও ‘ক্যাঙ্গারু রুট’ নামে পরিচিত পথটি শুরু থেকেই জনপ্রিয়। (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

Facebook Comments

You may also like

অস্ট্রেলিয়ার সংসদে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী 

কাউসার খান:অস্ট্রেলিয়ার  জাতীয় সংসদে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় সংসদে জাতীয় শিশু সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে দেয়া  ভাষণে তিনি শিশু যৌন নির্যাতনে ভুক্তভোগীদের কাছে এক্ষমাপ্রার্থনা করেন। এ সময় শিশু যৌন নির্যাতনের শত শত ভুক্তভোগী সংসদে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের সময় সংসদে পিনপতন মৌনতা বিরাজ করে। পরে ভুক্তভোগীদের সংগে দেখা করতে আজ সংসদের  সকল অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে এই ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রয়েল কমিশন দ্বারা অনুমোদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। তিনিও দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের শুরুতেই মরিসন বলেন, ‘আজ অস্ট্রেলিয়া একটি আঘাতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, একটি ঘৃণা যা দীর্ঘদিন দৃষ্টি সীমানার বাইরে লুকিয়ে ছিল।’ ব্যথিত কণ্ঠস্বরে মরিসন বলতে শুরু করেন, ‘আজ আমরা মুখোমুখি হবো, নীরব কণ্ঠস্বরের, অন্ধকারের চাপা কান্নার।অস্বীকৃত অশ্রুর। অদৃশ্য দুঃখের অত্যাচারের।’   ভাষণের এক পর্যায়ে মরিসন লজ্জায় মাথা নত করে বলেন, ‘ যে শিশুদের আমরা নিরাপদে  রাখতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। যে বাবা মায়ের বিশ্বাস আমরা ভেঙে দিয়েছি, যারা সেই টুকরো টুকরো বিশ্বাসগুলোএকসাথে করতে সংগ্রাম করছেন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ শিশু যৌন নির্যাতনে বেঁচে যাওয়াদের উদ্দেশ্য করে মরিসন বলেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্বাস করি ভালোবাসি, এই দেশ তোমাদের বিশ্বাস করে ভালোবাসে।’