এস্ট্রোজেনিকা টিকা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর উপদেশ নিয়ে নানা বিতর্ক।

এস্ট্রোজেনিকা টিকা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর উপদেশ নিয়ে নানা বিতর্ক।

0
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন গত দুইদিন আগে জাতির উদ্দেশ্যে বলেন, ৪০ বছরের নীচে যে কেও এস্ট্রোজেনিকা টিকা নিতে পারেন জেনারেল প্রাকটিসনার এর সাথে কথা বলে।
অস্ট্রেলিয়ান মেডিকেল এসোসিয়েশন এর প্রধান ওমর খুর্শেদ জানিয়েছেন,অস্ট্রেলিয়ান থেরাপিটিক্যাল গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন গবেষণা করেই এস্ট্রোজেনিকা টিকা ৬০ বছরের নীচে না দেয়ার জন্য নির্ধারণ করেছেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আমাদের সাথে কোন কথা না বলেই এই উপদেশ দিয়েছেন যা সত্যি টিকা দেবার ক্ষেত্রে মানুষকে দ্বিধাবিভক্ত করেছে।
এদিকে কুইনসল্যান্ডের প্রিমিয়ার অনেস্থেশিয়া প্যালেশাই, আজকে সাংবাদিক সম্মেলনে এস্ট্রোজেনিকা টিকা নিয়ে তার রাজ্য অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ান থেরাপিটিক্যাল গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নির্ধারিত উপদেশই শুনবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। শুধু তাই না, তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, এস্ট্রোজেনিকা টিকার দেয়ার ক্ষেত্রে বয়সের নির্ধারিত সীমা পরিবর্তন করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সাথে কোন আলোচনাই করেন নাই, এবং তার রাজ্য প্রধান চিকিৎসা বিশেষজ্ঞর দেয়া উপদেশই মেনে চলবে।
নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ারও, এস্ট্রোজেনিকা টিকা নিয়ে কিছুক্ষন আগে জানিয়ে দিয়েছেন, তার রাজ্যে যারা প্রথম ডোজ দিয়েছেন এস্ট্রোজেনিকার তারা দ্বিতীয় ডোজ অবশ্যই দিবেন, কিন্তু নতুন করে যারা দিবেন তার রাজ্যের চিকিৎসকরা অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ান থেরাপিটিক্যাল গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নির্ধারিত উপদেশ মোতাবেক এস্ট্রোজেনিকা টিকার নির্ধারিত বয়স মেনেই চলবেন। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপদেশকে প্রাধান্য না দিয়ে মেডিক্যাল এক্সপার্ট যারা তাঁদের উপদেশ শুনার পক্ষেই তার রাজ্য।
আজকে নিউ সাউথ ওয়েলসে নতুন করে ২২ জন, কুইনসল্যান্ডে ৩ জন, সাউথ অস্ট্রেলিয়াতে ৫ জন, নর্থর্ন টেরিটরিতে ১০ জন, ভিক্টোরিয়াতে একজন ইনফেকটেড হয়েছে, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়াতে এক জন।
ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য সবাইকে বারবার অনুরোধ করছেন সবকয়টি রাজ্য ও টেরিটরি সরকার।

Facebook Comments

You may also like

ভ্যাকসিন দেয়ার পরেও কেন করোনা আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ ?

আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস ছিল ৪ জুলাই , আর