সেরা গ্রিলারের যুদ্ধে নামার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় আসছেন কমল বাড়ই

সেরা গ্রিলারের যুদ্ধে নামার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় আসছেন কমল বাড়ই

144
0

এ বছর অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক গ্রিলার্স চ্যালেঞ্জে সারা বিশ্ব থেকে মাস্টার গ্রিলাররা জড়ো হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে সেরা গ্রিলারের যুদ্ধে নামার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় আসছেন এবারের নির্বাচিত ন্যানদোস বাংলাদেশের মাস্টার গ্রিলার কমল বাড়ই। তিনি হারিয়েছেন ন্যানদোস গুলশান ১, বনানী ও ধানমন্ডির তিন গ্রিলারকে।
আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতাটি ন্যানদোসের লাইসেন্স থাকা ২৪টি দেশের সব গ্রিলার্সদের নিয়ে বিশ্বব্যাপী নিয়মিত হয়। প্রতিবছর ২০ হাজারের থেকেও বেশি আউটলেট থেকে বাছাই করা হয় সেরা গ্রিলারদের। এরপর তাদের মধ্যে থেকে দেশের সেরা গ্রিলার নির্বাচন করা হয়। সবশেষে আন্তর্জাতিক এক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ঠিক করা হয় ন্যানদোসের বর্ষসেরা গ্রিলার কে হবেন।
সম্প্রতি ন্যানদোসের গুলশান ১ শাখায় হয়ে গেল এই আয়োজনের বাংলাদেশ পর্বের প্রতিযোগিতা। এ সময় বিচারক হিসেবে ছিলেন সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার,অভিনেত্রী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসেইন, মডেল শাবনাজ সাদিয়া ইমি, মডেল ইসমত জেরিন চৈতী, আমারি ঢাকার এক্সিকিউটিভ শেফ জেড আর্কডিকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শ্রী সোয়াদ চৌধুরী এবং শাহীন মোহাম্মদ সামিউল হক, হেড অব বিজনেস, এমআরপিএল।
প্রতিযোগিতার জন্য দীর্ঘ একমাস নানা ধরনের প্রক্রিয়া এবং প্রস্তুতি গ্রহণ করেন গ্রিলার্সরা। এই প্রক্রিয়া ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ন্যানদোস এবং অনন্য বিচারকরা নির্বাচিত করে সেরাদের সেরা গ্রিলার। প্রতিযোগিতার সময় ন্যানদোসের চার শাখার গ্রিলার্সরা সবচেয়ে সেরা ও খাঁটি পেরি পেরি চিকেন প্রস্তুত করতে রান্না ঘরে মাত্র ১৫ মিনিট সময় কাটান। বিচারক প্যানেল এই প্রতিযোগিতা থেকে সেরা গ্রিলার বাছাই করতে সহযোগিতা করেন।
প্রতিযোগীতায় বিজয়ী গ্রিলার কমল বাড়ই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এবং বিশ্বের সেরা গ্রিলার খোঁজ নেওয়ার যুদ্ধে ‘ওয়ার্ল্ড বেস্ট গ্রিলার’ শিরোপা অর্জনের জন্য লড়বেন। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে এই ভাগ্যবান বিজয়ী পাবেন আন্তর্জাতিক সম্মাননা।
ন্যানদোস দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক চেইন রেস্টুরেন্ট যেটি বাংলাদেশে পরিচালনা করে এমজিএইচ গ্রুপ। (সূত্র:বাংলা ট্রিবিউন)

Facebook Comments

You may also like

অস্ট্রেলিয়ার সংসদে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী 

কাউসার খান:অস্ট্রেলিয়ার  জাতীয় সংসদে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় সংসদে জাতীয় শিশু সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে দেয়া  ভাষণে তিনি শিশু যৌন নির্যাতনে ভুক্তভোগীদের কাছে এক্ষমাপ্রার্থনা করেন। এ সময় শিশু যৌন নির্যাতনের শত শত ভুক্তভোগী সংসদে উপস্থিত ছিলেন। ভাষণের সময় সংসদে পিনপতন মৌনতা বিরাজ করে। পরে ভুক্তভোগীদের সংগে দেখা করতে আজ সংসদের  সকল অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে এই ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রয়েল কমিশন দ্বারা অনুমোদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। তিনিও দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের শুরুতেই মরিসন বলেন, ‘আজ অস্ট্রেলিয়া একটি আঘাতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, একটি ঘৃণা যা দীর্ঘদিন দৃষ্টি সীমানার বাইরে লুকিয়ে ছিল।’ ব্যথিত কণ্ঠস্বরে মরিসন বলতে শুরু করেন, ‘আজ আমরা মুখোমুখি হবো, নীরব কণ্ঠস্বরের, অন্ধকারের চাপা কান্নার।অস্বীকৃত অশ্রুর। অদৃশ্য দুঃখের অত্যাচারের।’   ভাষণের এক পর্যায়ে মরিসন লজ্জায় মাথা নত করে বলেন, ‘ যে শিশুদের আমরা নিরাপদে  রাখতে ব্যর্থ হয়েছি, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। যে বাবা মায়ের বিশ্বাস আমরা ভেঙে দিয়েছি, যারা সেই টুকরো টুকরো বিশ্বাসগুলোএকসাথে করতে সংগ্রাম করছেন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ শিশু যৌন নির্যাতনে বেঁচে যাওয়াদের উদ্দেশ্য করে মরিসন বলেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্বাস করি ভালোবাসি, এই দেশ তোমাদের বিশ্বাস করে ভালোবাসে।’