বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে অস্ট্রেলিয়া

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে অস্ট্রেলিয়া

19
0
জার্মান-অষ্ট্রেলিয়ান এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কনফারেন্সে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, সিরামিক পণ্য, ঔষধ, চামড়াজাত  পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তারা বাংলাদেশ থেকে এ সকল পণ্য আমদানি বাড়াতে করতে পারে।

জার্মান-অষ্ট্রেলিয়ান এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কনফারেন্সে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ শনিবার (৪ নভেম্বর) ক্রাউন টুওয়ার্স হোটেলের ক্রাউন বিজনেস বোর্ড রুমে অস্ট্রেলিয়ার অর্থমন্ত্রী সিনেটর মাথিয়াস কোরম্যানের সঙ্গে বৈঠকের সময় এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে ডিউটি ও কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করেছে। সেজন্য বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞ।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য লাভজনক স্থান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনের যে কোনো একটিতে অস্ট্রেলিয়া বিনিয়োগ করলে বাংলাদেশ সরকার সবধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে। বাংলাদেশের বিনিয়োগ পলিসি খুবই ভালো। এখানে শতভাগ বিনিয়োগ ও প্রয়োজনে বিনিয়োগকৃত অর্থ লাভসহ যে কোনো সময় ফিরিয়ে নিতে পারবে। সরকার আইন প্রনয়ন করে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগকারীগণ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, উভয় দেশের মধ্যে কার্গো উড়জাহাজ চালু করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পূর্বের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো। গত অর্থ বছরে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় ৬৫৮.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে, একই সময়ে আমদানি করেছে ৬৮৩.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি হলে উভয় দেশের বাণিজ্য অনেক বৃদ্ধি পাবে।

অস্ট্রেলিয়ার অর্থমন্ত্রী উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অনেক বৃদ্ধি পাবে।

সকালে বাণিজ্যমন্ত্রী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানীর প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ওয়াল্টার এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী “The Future of Global Trade Agreements and the Resulting Opportunities in the Asia-Pacific” পলিসি ডায়ালগ সেশনেও উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল (৩ নভেম্বর) অষ্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরে ক্রাউন টুওয়ার্স হোটেলে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ট্রেড মিনিস্টার এ্যাড্রিউ রব এর সাথে মতবিনিময় করেন।

এ সময় অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ফরিদা ইয়াসমিন বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। (একুশে টেলিভিশন)

Facebook Comments

You may also like

শ্রীলঙ্কায় হাথুরুসিংহের বেতন হবে তিন লাখ ডলার!

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হিসেবে মাসে প্রায়