Editorial

Editorial

Editorial FeaturedPost

ঋনযুদ্ধে পর্যুদস্ত এক বঙ্গবীর

ফজলুল বারী:নির্বাচনের মনোনয়নের প্রাথমিক বাছাই পর্বে বিশেষ কিছু ত্রুটি চোখে পড়েছে। যারা দেশের সংসদ সদস্য হতে চান একটি মনোনয়নপত্র তাদের অনেকে হয়তো ঠিকমতো পড়েননি অথবা প্রয়োজন মনে করেননি। ...
Read more 0
Editorial FeaturedPost

ড.কামাল হোসেন এখন একটি প্রতারক জোটের নেতা

ফজলুল বারী:নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিল পর্বের পর আমার সাফ সাফ কথা ড কামাল হোসেন এরমাঝে বাংলাদেশের চলতি রাজনীতির একটি প্রতারক জোটের নেতা হিসাবে চিহ্নিত। কেনো এভাবে কথাটি বলছি তা ...
Read more 0
Editorial FeaturedPost

ড.কামালের মুখ ও মুখোশ !

ফজলুল বারী: বাংলাদেশ তথা ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রথম ছবির নাম ছিল ‘মুখ ও মুখোশ’। কালেক্রমে এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক ব্যবহৃত শব্দ এবং উপমা। ড.কামাল হোসেনের অতীত ও সাম্প্রতিক রাজনীতির ...
Read more 0
Editorial

“লাইব্রেরীতে একুশে কর্নার”

একুশের চেতনা’র বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক দর্শন (৪র্থ পর্বঃ “প্রতিক্রিয়া এবং বাস্তবায়নের সম্ভাবনা”)   নির্মল পাল : “লাইব্রেরীতে একুশে কর্নার” প্রবর্তনের বৈশ্বিক দর্শন বিশ্বব্যাপী ঝুঁকিপূর্ণ মাতৃভাষা সংরক্ষণে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মৃতিসৌধ’ ...
Read more 0
Editorial FeaturedPost

বাংলাদেশের এতো লোকজন নিজেদের এমপি হবার যোগ্য ভাবেন!

ফজলুল বারী: দেশের সাধারন নির্বাচন এক সপ্তাহ পিছিয়ে ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলেছে রাজনৈতিক দলগুলোর অনুরোধে দেয়া হয়েছে নতুন তফসিল। বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। ...
Read more 0
Editorial

আপনার গাড়ির এয়ার ব্যাগ মিলিয়ে নিন, বিপদ মুক্ত থাকুন

গত ২২ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ান কম্পিটিশন এন্ড কনসিউমার কমিশন (এ সি সি সি) এক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে যে সমস্ত গাড়ির এয়ার ব্যাগে মানুষের জীবনকে বাঁচানোর পরিবর্তে মৃত্যুর দিকে ঠেলে ...
Read more 0
Editorial

আগামী নির্বাচনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ

ড. এজাজ মামুন:একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ও বাস্তবতার নিরিখে এতটুকু বুঝি যে রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচনের মাধ্যমে একদিকে যেমন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে, অপরদিকে যোগ্য নেতা নির্বাচনে ব্যর্থ হলে ...
Read more 0
Australia Editorial

জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয়া হল না মরিসনের: অস্ট্রেলিয়ায় সরকারী দলের ভরাডুবির কারণ কি ?  

কাউসার খান:গত শনিবার অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল উপনির্বাচনে সিডনির নিকটবর্তী নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের ওয়েন্টওর্থ নির্বাচনী এলাকায় সরকারী দল লিবারেল পার্টির ভরাডুবি হয়েছে ব্যাপকভাবে। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে সংখ্যালঘু সরকারে পরিণত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বর্তমানসরকার। হাত-পা, নখ-দাঁতহীন এ সংখ্যালঘু সরকার এখন আর নতুন কোন  বিল বা আইন পাশ করতে পারবে না।জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নির্বাচনের আগে যে বহুল সমালোচিত টোপটাফেলেছিলেন সেটা এখন ভোটের রাজনীতির কথার কথা ছাড়া আর কোন মূল্যই রইলো না। কিন্তু ১১৭ বছরের ইতিহাসে এ নির্বাচনী আসনে এই প্রথম লিবারেল পার্টির  এতো বড় ভরাডুবির কারণ কি  এ নিয়ে খুব বেশি চুলছেঁড়া বিশ্লেষণের প্রয়োজন পড়েনি রাজনৈতিকবিশ্লেষকদের। কারণ এদিক সেদিক ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কিছু অজুহাত খুঁজে পেলেও  মূলত  কিছুদিন আগে সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলই বিদেশে বসে নিজের দলের বিরুদ্ধে কলকাঁঠি  নেড়ে এ ভরাডুবির অংশ হয়েছেন বলে স্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। সংসদের মোট ১৫০ আসনের মধ্যে অর্ধেকের চেয়ে একটি বেশি অর্থাৎ ৭৬টি আসনে জয় লাভের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করেছিল লিবারেল পার্টি। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান সংসদের স্পীকার টনি স্মিথ লিবারেল পার্টি থেকে নির্বাচিত হয়। ফলে স্পিকার হিসেবে সরকারেরকোনো সিদ্ধান্তে ভোট দেওয়ার ক্ষমতা নেই তাঁর। এরপর গত শনিবারের ওয়েন্টওর্থ উপনির্বাচনে হেরে যাওয়ার মাধ্যমে লিবারেল তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। সংসদের অর্ধেকের বেশি আসনের কম এখন লিবারেলের আসন সংখ্যা। ফলে, এ সরকার সংখ্যালঘু সরকারেপরিণত হয়েছে। সংখ্যালঘু সরকার যেকোনো মুহুর্তে পতনের শংকা থাকে। কেননা, বিরোধী দল যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ হয় তবে যেকোনো মুহুর্তে সরকার গঠনের জন্য আবেদন করতে পারে।তবে যেহেতু বর্তমান বিরোধীদল লেবার পার্টির আসন সংখ্যা ৬৯ টি এবং জাতীয় নির্বাচনআসন্ন, তাই আপাদত সেই শংকা হয়তো নেই লিবারেলের। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকার ফলে জাতীয় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিল সংসদে পাশ করাতে পারবে না। অন্যদের সহযোগিতা নিয়ে যদিও করতে পারে তবে বেশ ঝক্কি পোহাতে হবে নিঃসন্দেহে। সরকারের এরকমএকটা বিপদসংকুল সময়ে আজ স্থানীয় সময় সকালেই দীর্ঘ বিদেশ বাসের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল সিডনি ফিরেছেন এবং সেটা গত শনিবার ওয়েন্টওর্থ উপনির্বাচনে লিবারেল পার্টির ঐতিহাসিক পরাজয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ফিরে আসলেন তিনি।ওয়েন্টওর্থআসন থেকে জিতেই টার্নবুল প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁর শূন্য আসন পূরণেই এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গত আগস্টে দেশটির ক্ষমতাসীন দল লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব  পরিবর্তনের জের ধরে ক্ষমতাচ্যুত হন টার্নবুল। এর পরপরই স্ত্রী লুসিসহ তিনিনিউ ইয়র্কে চলে যান। এরপর ফিরে আসেন সিঙ্গাপুরে সেখানে দীর্ঘদিন টার্নবুলের আইনজীবী ছেলে অ্যালেক্স টার্নবুলের কাছে অবস্থান শেষে আজ ফিরে আসেন অস্ট্রেলিয়ায়।গত শনিবারের উপনির্বাচনের আগ থেকেই অ্যালেক্স সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে উপনির্বাচনকেকেন্দ্র করে লিবারেল পার্টির সমালোচনা করে আসছিলেন। এবারের এই উপনির্বাচন যে গুরুত্ব বহন করেছে সাধারণত এরকমটি হয় না অস্ট্রেলিয়ায়। এবার গোটা অস্ট্রেলিয়ার চোখ চলল এই উপনির্বাচনের উপর। ওয়েন্টওর্থ এর এ উপনির্বাচনটির গুরুত্বের কয়েকটি কারণের অন্যতম কারণ কয়েকটি পরীক্ষা তার মধ্যে স্কট মরিসনঅস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণের পর তাঁর নির্বাচনী পরিচালন পরীক্ষা,  সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার পরীক্ষা সর্বোপরি আসন্ন ফেডারেল নির্বাচনে দলের জনপ্রিয়তার পরীক্ষা। কিন্তু টার্নবুল একাই এই সকল পরীক্ষার পরীক্ষক হয়ে সব বিষয়ে ফেল করিয়ে নিজ দলকে  ছুঁড়ে দিয়েছেন মহাসমুদ্রে এমনটাই এখন বলাবলি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতির মহলে। টার্নবুল ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁর আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। এমনকি রাজনীতি থেকেও নিজেকে গুটিয়ে নেন। ফলে তাঁর ছেড়ে দেওয়া সে আসনে প্রার্থিতা দেয় লিবারেল পার্টি। এইআসনটি টার্নবুলের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ছিল। টার্নবুলের আদিনিবাসও এই নির্বাচনি এলাকাতেই। এ ছাড়া, গত ১১৭ বছরে এই আসন থেকে লিবারেল পার্টি কখনও নির্বাচনে হারে নি। অথচ সেই আসনেই ইতিহাস ভেঙে দিয়ে আপাতত ১ হাজার ৬০০ ভোটে হেরেছে লিবারেলপ্রার্থী ডেভ শর্মা। ডেভ শর্মা একজন প্রভাবশালী প্রার্থী ছিলেন। তাঁকে হারিয়ে আসনটি থেকে জয় লাভ পায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও একজন স্থানীয় ডাক্তার কেরিন ফেলপস। এই উপনির্বাচনে টার্নবুল দলকে কোনোভাবেই সাহায্য করেন নি বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির বর্তমানপ্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। এক বিবৃতিতে মরিসন উল্লেখ করেন, লিবারেল প্রার্থী ডেভ শর্মাকে সহযোগিতা করতে টার্নবুলকে লিখিত অনুরোধ করা হলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে দেন। এ দিকে, টার্নবুল উপনির্বাচন থেকে যতটাই দূরত্ব বজায় রেখেছেন, তাঁর ছেলে অ্যালেক্স ততটাই কাছে থেকেছেন। উপনির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক লিবারেল পার্টির সমালোচনা করেই গেছেন অ্যালেক্স। প্রথম থেকেই ডেভ শর্মাকে সমর্থন করাতো দূরের কথা, উল্টো লিবারেল সমর্থকদের সাথে লিবারেল পার্টি ত্যাগের জন্য বিতর্ক করেছেন। এমনকি বর্তমান মরিসন সরকারকে চরমপন্থি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অনেকটা নিশ্চিত গুঞ্জন এই উপনির্বাচনের আগে অ্যালেক্স বিরোধীদল লেবার পার্টিকে অর্থায়নওকরেছেন। শনিবারের নির্বাচনি ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেলপস জিতে যাওয়ার পরপরই অ্যালেক্স এক টুইটে বলেন, ‘আমার কাজ এখানেই শেষ। এশিয়ার পুঁজি বাজারে ফেরত যাওয়ার সময় এসেছে।’ টার্নবুল দলের গুরুত্বপূর্ণ এবং বিপদের সময়ে লিবারেলের পাশে না থাকায় ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গনে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও লিবারেল পার্টির অন্যতম নেতা টনি অ্যাবট  লিবারেল পার্টির এই কঠিন অগ্নিপরীক্ষার সময় পাশে না থাকার দরুন কঠোরসমালোচনা করেছেন। গত সপ্তাহে রেডিওতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাবট বলেন,  ‘আমি জানি তিনি সস্ত্রীক নিউ ইয়র্কে অবকাশ যাপনে আছেন এটা আমি বুঝতে পেরেছি। আমি এও জানি অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে তিনি আর খুব বেশি জড়িত হতে চান না। কিন্তু অন্তত এইসপ্তাহে দলের হয়ে  ডেভ শর্মার পাশে দৃঢ়, স্বচ্ছ ও ব্যক্তিগতভাবে অবস্থান করে ওয়েন্টওর্থের জনগণের কাছে লিবারেলের আকুতি তুলে ধরার প্রয়োজন ছিল। অ্যাবটের সাথে সুর মিলিয়ে দেশটির সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী বার্নাবি জয়সি বলেন, ‘ডেভ শর্মাকে ভোট দিন। তাঁকে শুধু এইটুকুই বলতে হতো। টার্নবুল একটি বিশাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মালিক। আশা করেছিলাম মাত্র এ কয়েকটা শব্দ তিনি বলতেই পারেন। ...
Read more 0
Editorial FeaturedPost Sydney

ডা. রেজা আলী অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পথিকৃৎ

কাউসার খান:সে সময় সবকিছু কেমন যেন হুটহাট হয়ে যাচ্ছিল রেজা আলীর জীবনে। সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করলেন। মাস চারেক চাকরি করলেন ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে। ...
Read more 0
Australia Editorial

জেরুজালেমকে কেন স্বীকৃতি দিচ্ছে  অস্ট্রেলিয়া 

কাউসার খান:জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে গত সোমবার মত প্রকাশ করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তেল আবিবে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়েআনার ব্যাপারেও কথা বলেন তিনি। মরিসনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে ভোটের রাজনীতি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নির্বাচনী পরীক্ষার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন মরিসন। নির্বাচনী পরিস্থিতিতে সরকার ও রাজনৈতিক দলের একজন প্রধান হিসেবে মরিসন কেমন ভূমিকারাখবেন, তার নজির মিলবে আগামী শনিবার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁর ছেড়ে দেওয়া আসন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের ওয়েন্টওর্থ নির্বাচনী এলাকায় এদিন উপনির্বাচন হতে যাচ্ছে। সেখানে ক্ষমতাসীন দল লিবারেলপার্টির পক্ষ থেকে নির্বাচন করবেন ইসরায়েলে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত ডেভ শর্মা। আসনটি টার্নবুলের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হলেও তাঁর অবর্তমানে লিবারেল পার্টির জন্য সেটি এখন সবচেয়েবিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিবারেল পার্টির পক্ষ হয়ে এই আসনে ডেভ শর্মা যদি হেরে যান, তবে অস্ট্রেলিয়ার হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবেন মরিসন। এই শঙ্কা থেকেই মরিসন ইহুদি অধ্যুষিত এলাকাটিতে ভোট পেতেঅস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নাটক করছেন। তাই তাঁর সমালোচনায় সরব দেশটির প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি। সমালোচনা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরাও। গত বছরের ডিসেম্বরে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইতিমধ্যে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর করেছেন। এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়েট্রাম্প নিন্দিত হয়েছেন। এখন ট্রাম্পের পথই অনুসরণ করতে যাচ্ছেন মরিসন। এ প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সংবাদপত্র সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক সম্পাদক পিটার হার্টচার এক প্রতিবেদনে লিখেছেন, মাত্র কয়েকটা ভোটের জন্য জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেবিশ্বাসঘাতকতা করা দায়িত্বহীনতার পরিচয়।’ পিটার বলেন, ‘ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে একমত পোষণ করে মরিসন যদি ওয়েন্টওর্থের ইহুদি বাসিন্দাদের ভোট পাওয়ার আশা করেন, তবে সেটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ ডেভ শর্মার সঙ্গে ইতিমধ্যেইসরায়েলের সম্পর্ক রয়েছে। অধিকাংশ ইহুদিরা তাঁকে এমনিতেই ভোট দেবেন। মরিসনের এই সিদ্ধান্ত লিবারেল পার্টির জন্য তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো ভোটারের জোগান দেবে না।’ ওয়েন্টওয়ার্থের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১২ শতাংশ ইহুদি। তাঁদের একটা বড় অংশ ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত। আর মরিসনের সিদ্ধান্ত ওয়েন্টওর্থের ইহুদি বাসিন্দাদের জন্য মোটেও সুখকর হবে না বলে মনে করছেনপিটার। তিনি বলেন, ‘তাঁদের মোটেও খুশি হওয়া উচিত না। বরং তাঁরা অপমানিতবোধ করবেন। কেন, না মরিসন তাঁদের নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছেন।’ মরিসনের জেরুজালেম সমর্থন ইস্যু নিয়ে নাখোশ অন্যান্য ধর্মীয় কমিউনিটির ব্যক্তিরা। তাঁদের অনেকে বলেছেন, আজ যিনি সংখ্যালঘু ভোটারের সমর্থনের জন্য একটি জাতিগত ও ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যকরছেন, কাল তিনি অন্য জনগোষ্ঠীর পেছনে যে লাগবেন না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। মাত্র একটি আসনে নির্বাচনের জন্য যেখানে মরিসন জাতিগত ও ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করতে চাইছেন, সেখানে আগামী নির্বাচনে আধ ডজনের বেশি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম ভোটারদের সমর্থন পেতেতিনি কী করবেন, তা নিয়ে শঙ্কিত সিডনির মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকার বাসিন্দারা। ...
Read more 0
Don`t copy text!